পদ আছে, প্রার্থীও আছে; তার পরও ৩৪তম বিসিএসের দ্বিতীয়
শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে সুপারিশবঞ্চিত হচ্ছে ৭১৬ জন। সাড়ে তিন বছর ধরে চলছে
৩৪তম বিসিএসের নিয়োগের প্রক্রিয়া। শিগগির প্রকাশিত হবে ৩৫তম বিসিএসের ফল।
তার আগেই সুপারিশ করা না হলে এই প্রার্থীরা চাকরি পাবেন না।
সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তাদের অবহেলা ও কোটা পদ্ধতির কারণে নিয়োগ পাচ্ছেন না প্রার্থীরা। এই ৭১৬ জনের বেশির ভাগের সরকারি চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। তাঁরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
৩৪তম
বিসিএসে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন মোট আট হাজার ৭৬৩ জন
প্রার্থী। দুই হাজার ১৫৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করে
পিএসসি। এরপর প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদন করেন পাঁচ হাজার
১৭০ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্য থেকে ৪০৭ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
এরপর দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদন করেন দুই হাজার ৫৬৩ জন।
তাঁদের মধ্য থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের
জন্য ৮৯৮ জনকে, কর কমিশনে ৩৪০ জনকে, সমাজকল্যাণ, শ্রম মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানে আরো ১৪৯ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। মোট এক হাজার ৩৮৭
জন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন। আরো ৪৬০ জনকে সরকারি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে বলে
পিএসসি সূত্র জানায়। এর পরও ৭১৬ জন প্রার্থীর সুপারিশ বঞ্চিত রয়ে গেছে।
সূত্র জানায়, প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের তিন হাজার পাঁচটি পদের চাহিদার কথা জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কোটা বাদ দিয়ে ৩৪তম বিসিএস থেকে এক হাজার ৩৫০ জনের চাকরি হওয়ার কথা। কিন্তু নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে ৮৯৮ জনকে। ৪৫২ জন সুপারিশবঞ্চিত হয়েছে। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার ১৩৫টি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইফার কর্মকর্তার ৫৪টি শূন্যপদের তালিকাও জমা আছে পিএসসিতে। বিধি অনুযায়ী ৩৪তম বিসিএস থেকেই এসব পদ পূরণ করার কথা। পিএসসি সুপারিশ করলেই উপর্যুক্ত ৬৪১ পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা যায়।
৩৪তম বিসিএসের দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদনকারী উজ্জ্বল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায়। মেধা তালিকায় এ উপজেলার সবার আগে আমার স্থান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে আমার উপজেলায় দুটি পদ খালি ছিল। একটি মহিলা কোটার, অন্যটি পোষ্য কোটার। মহিলা কোটায় প্রার্থী পাওয়া গেলেও পোষ্য কোটায় পাওয়া যায়নি। আমি মেধা তালিকায় সবার আগে থাকলেও আমাকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়নি।’
কামরুজ্জামান নামের এক প্রার্থী বলেন, ‘নিয়ম আছে ৩৫তম বিসিএসের ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত যত নিয়োগের চাহিদার কথা জানানো হবে সব ৩৪তম বিসিএস থেকেই পূরণ করতে হবে। কিন্তু পদ খালি থাকার পরও আমাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে না। সেটা করা হলে দ্বিতীয় শ্রেণির পদের জন্য আবেদনকারী প্রায় সবার চাকরি হওয়া সম্ভব।’
আল মামুন নামের এক প্রার্থী বলেন, ‘প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ঘুরছি। যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডারে পদ আছে, প্রার্থীও কম, তাই আশা নিয়ে বসেছিলাম। বেসরকারি চাকরিও খুঁজিনি। পরিবারের কাছে এখন কী জবাব দেব?’
এসব বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘৩৪তম বিসিএস থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগই হবে শেষ নিয়োগ। আমাদের কাছে চাহিদা এলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে হয়। বিধি পর্যালোচনা করতে হয়। তাই এই বিসিএস থেকে আর নিয়োগের সুপারিশ করা সম্ভব নয়।’
সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তাদের অবহেলা ও কোটা পদ্ধতির কারণে নিয়োগ পাচ্ছেন না প্রার্থীরা। এই ৭১৬ জনের বেশির ভাগের সরকারি চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। তাঁরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
সূত্র জানায়, প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের তিন হাজার পাঁচটি পদের চাহিদার কথা জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কোটা বাদ দিয়ে ৩৪তম বিসিএস থেকে এক হাজার ৩৫০ জনের চাকরি হওয়ার কথা। কিন্তু নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে ৮৯৮ জনকে। ৪৫২ জন সুপারিশবঞ্চিত হয়েছে। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার ১৩৫টি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইফার কর্মকর্তার ৫৪টি শূন্যপদের তালিকাও জমা আছে পিএসসিতে। বিধি অনুযায়ী ৩৪তম বিসিএস থেকেই এসব পদ পূরণ করার কথা। পিএসসি সুপারিশ করলেই উপর্যুক্ত ৬৪১ পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা যায়।
৩৪তম বিসিএসের দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদনকারী উজ্জ্বল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায়। মেধা তালিকায় এ উপজেলার সবার আগে আমার স্থান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে আমার উপজেলায় দুটি পদ খালি ছিল। একটি মহিলা কোটার, অন্যটি পোষ্য কোটার। মহিলা কোটায় প্রার্থী পাওয়া গেলেও পোষ্য কোটায় পাওয়া যায়নি। আমি মেধা তালিকায় সবার আগে থাকলেও আমাকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়নি।’
কামরুজ্জামান নামের এক প্রার্থী বলেন, ‘নিয়ম আছে ৩৫তম বিসিএসের ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত যত নিয়োগের চাহিদার কথা জানানো হবে সব ৩৪তম বিসিএস থেকেই পূরণ করতে হবে। কিন্তু পদ খালি থাকার পরও আমাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে না। সেটা করা হলে দ্বিতীয় শ্রেণির পদের জন্য আবেদনকারী প্রায় সবার চাকরি হওয়া সম্ভব।’
আল মামুন নামের এক প্রার্থী বলেন, ‘প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ঘুরছি। যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডারে পদ আছে, প্রার্থীও কম, তাই আশা নিয়ে বসেছিলাম। বেসরকারি চাকরিও খুঁজিনি। পরিবারের কাছে এখন কী জবাব দেব?’
এসব বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘৩৪তম বিসিএস থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগই হবে শেষ নিয়োগ। আমাদের কাছে চাহিদা এলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে হয়। বিধি পর্যালোচনা করতে হয়। তাই এই বিসিএস থেকে আর নিয়োগের সুপারিশ করা সম্ভব নয়।’
http://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2016/08/14/393155
No comments:
Post a Comment